বরগুনা সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক একেএম মো. শহিদুল হকের বিরুদ্ধে ডিলার নিয়োগ, অফিসে অনিয়মিত উপস্থিতি এবং সরকারি খাদ্য বিতরণ কার্যক্রমে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারীরা বলছেন, ডিলারি প্রদান ও বহাল রাখার ক্ষেত্রে অর্থ গ্রহণ, প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডিলারি না দেওয়া এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে। যদিও এসব অভিযোগ এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই হয়নি, তবে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তথ্য বলছে, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় কেজিপ্রতি সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্ধারিত অর্থ জমা না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগও সামনে এসেছে।
সংশ্লিষ্ট অফিসের কিছু কর্মচারীর সম্পৃক্ততার কথাও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক বিক্রয়কর্মী দাবি করেছেন, ওএমএস ও টিসিবি কার্যক্রম পরিচালনায় মাসিক অর্থ দিতে বাধ্য করা হতো।
বিশ্লেষকদের মতে, দরিদ্রবান্ধব খাদ্য কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ প্রশাসনিক তদারকির দুর্বলতা প্রকাশ করছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তা ছুটিতে থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জানিয়েছেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।